saudi_beheaded
১জন নিহত হবার অপরাধে ৮জনকে মৃত্যুদন্ড !!!!!!!!!!!!!! ক মিশরীয়কে হত্যার সাজা হিসেবে সৌদি আরবে আট বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ হয়েছে। রিয়াদে শুক্রবার প্রকাশ্যেই তাদের দণ্ড কার্যকর করা হয় বলে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে।

যাদের শিরশ্ছেদ করা হয়েছে, তারা হলেন- মামুন আবদুল মেনন, ফারুক জামাল, সুমন মিয়া, মোহাম্মদ সুমন, শফিক আল-ইসলাম, মাসুদ শামসুল হক, আবু হুসেইন আহমেদ এবং মতিয়ার আর রহমান। এরা সবাই শ্রমিক।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ২০০৭ সালের এপ্রিলে একটি গুদামে ডাকাতি এবং ওই গুদামের মিশরীয় নিরাপত্তাকর্মী হুসেইন সাইদ মোহাম্মেদ আবদুল খালেককে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলো।

একই ঘটনায় আরো তিন বাংলাদেশিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

কট্টর ইসলামী দেশ সৌদি আরবে এ ধরনের মৃত্যুদণ্ড সাধারণত প্রকাশ্যেই কার্যকর হয়। তবে আট জনের একসঙ্গে শিরশ্ছেদ ঘটনা অস্বাভাবিক বলে মনে করছে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

অ্যামনেস্টির মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার উপ-পরিচালক হাসিবা হাজ শারাউই বলেন, "সৌদি আরবের বিচার প্রক্রিয়া মোটেও আন্তর্জাতিক মানের নয়। যেখানে বিশ্বজুড়ে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে একটি ধারা তৈরি হচ্ছে, সেখানে সৌদি কর্তৃপক্ষ শিরশ্চেদের হার বাড়িয়ে দিয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।"

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, আট বাংলাদেশিসহ এ বছর এখন পর্যন্ত ৫৮ জনের শিরশ্ছেদ করা হয়েছে, যা গত বছরের দ্বিগুণেরও বেশি। এ বছর যাদের শিরশ্ছেদ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ২১ জনই বিদেশি।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বেশিরভাগ বিদেশিই সৌদি আরবে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে। তাদের বেশির ভাগের পক্ষে কোনো আইনজীবী থাকে না। তারা আরবিতে আদালতের কার্যক্রমও বুঝতে পারে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনি কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তাও তাদের জানানো হয় না। খুব কম সময়ই তারা আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ পান।  সৌদি আরবের দুই কোটি ৭০ লাখ জনগোষ্ঠীর এক-তৃতীয়াংশই বিদেশি, বিশেষ করে এশিয়ার।



ইউটিউবে ভিডিওগুলোতে দেখা যায় প্রচুর খাকি পোশাক পরিহিত পুলিশ এলাকাটা ঘিরে রাখে। চারপাশে জনতার ঢল যেন সার্কাস হচ্ছে। যাকে শিরশ্ছেদ করা হবে তার পা এবং হাত বেধে হাঁটুর উপর বসানো হয়। মাথা সামনে নত করানো থাকে। তারপর সৌদি আলখাল্লাহ পরিহিত জল্লাদ তরবারি নিয়ে এগিয়ে আসে। যার শিরশ্ছেদ করা হচ্ছে তাকে কোরবানীর পশুর মত ধরে ধরে দেখে; এমন কি হাত-পা বাধার কাজটা সেই করে। সাধারণত জল্লাদ থাকে দুজন। তারা “আল্লাহু আকবর” রব তুলতে তুলতে এক কোপে কেটে ফেলে অপরাধীর মস্তক। তারপর অন্য জল্লাদ কাটা শরীরের হাতে পালস দেখে মৃত্যু নিশ্চিত করে। সাথে সাথে একটা এ্যাম্বুলেন্স চলে আসে যা পাশেই অপেক্ষামান ছিল। তারপর শরীরটা স্ট্রেচারে তোলে। কেউ একজন মাথাটা ফুটবলের মত করে পাশে রাখে। তারপর এম্বুলেন্স চলে যায়।
These icons link to social bookmarking sites where readers can share and discover new web pages.
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google
  • Furl
  • Reddit
  • Spurl
  • StumbleUpon
  • Technorati

Leave a comment

Admaya